একটা ছেলে যখন একটা মেয়েকে ভালোবাসে, সে পুরো দুনিয়া থেকে মেয়েকে আগলে রাখে৷ যত্নে রাখে৷
মাঝরাতে চিপায় নিয়ে যাওয়া মানে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ না৷
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে প্রথম শুনেছিলাম মেয়েরা মূলত প্রেমে জড়ায় ক্যাম্পাস লাইফে নিজের সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে৷
কিন্তু সেই সিকিউরিটি নিশ্চিতে যখন নিজের চরিত্রকে কলিষুত করে, সেখানে মেয়েটি শুধুমাত্র নিজেকেই নয়, সে তার পরিবার, গোত্র ও প্রিয়জনদের ঠকায়৷ শুধু তাই নয়, সে ঠকায় তার অনাগত পরিবার ও সন্তানকে৷
ইদানিং বিয়ের জন্য পাত্রী দেখায় অনেকের অনেক মন্তব্য নিচ্ছি৷ বেশিরভাগ পাবলিকিয়ানই বলেছে আর যাই করো, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েকে বিয়ে করো না৷ যদি উদ্দেশ্য থাকে লোক দেখানোর, তাহলে করতে পারো৷ সংসার করার ইচ্ছা থাকলে, Just avoid it.
তারা অভিজ্ঞ, তারা জানেন৷
যে ছেলেটা একটা মেয়েকে চিপায় নিতে পারে, সেই ছেলে যদি সত্যি নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে সচেতন থাকে, সে কখনোই ওই মেয়েকে বিয়ে করবে না৷
আর বিয়ে করলেও মেয়েটি সেই সম্মান পাবে না যে সম্মান ইজ্জত ধরে রাখা একটা মেয়ে তার স্বামীর থেকে পায়৷
যে জিনিস সহজেই মেলে, সে জিনিসের কদর থাকে না৷
যে ভালোবাসতে জানে, আগলে রাখতে জানে সে কখনোই মাঝরাতে চিপায় ডাকবে না৷ স্পর্শ চাইবে না কারনে অকারনে৷
রজকিনী কালীদাসের প্রেম হয়েছিলো৷ তাদের ভাবের আদান-প্রদানের মাঝে এক পুকুরের বিস্তর দুরত্ব ছিলো৷ সেই প্রেম কিন্তু আজও বাংলা সাহিত্যে কালজয়ী৷
মধ্যরাতের চিপায় চাপায় জন্মানো প্রেম, সেই রাতের আঁধারেই মিলিয়ে যায়৷ ইতিহাস গড়তে পারে না৷
যে সম্পর্রকেই আমি তার খোঁজ নিতাম, সেই নিঃস্বার্থ সম্পর্ক থেকেই, একজন অভিভাবকের মতোই তার বিবাহপূর্ববর্তী জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চেয়েছিলাম৷ আমি বেশিই আবেগ, যত্ন দিয়ে ফেলেছিলাম যার বিন্দুমাত্র প্রাপ্তির যোগ্যতা তার ছিলো না৷ না সে বন্ধু হিসেবে যোগ্য, না মেয়ে হিসেবে যোগ্য, না ভাতিজি হিসেবে যোগ্য, না একজন জীবনসঙ্গী হিসেবে যোগ্য৷